জনগণের প্রত্যাশায়
আমার পরিকল্পনা
সাতকানিয়া–লোহাগাড়ার আপামর জনসাধারণের ন্যায়সংগত প্রত্যাশা পূরণই আমার লক্ষ্য। আমি বিশ্বাস করি—ক্ষমতা নয়, বরং খিদমতই (সেবা) নেতৃত্বের প্রকৃত পরিচয়। সেই বিশ্বাস থেকেই আমার পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে জনগণের মৌলিক চাহিদা, ন্যায়বিচার ও টেকসই উন্নয়নকে কেন্দ্র করে।
ন্যায়ভিত্তিক ও দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্ব
স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আমানতদারিতার মাধ্যমে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিত্বকে দুর্নীতিমুক্ত করা।
শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, মাদরাসা ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়, কারিগরি ও স্কিল ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে যুবসমাজকে কর্মমুখী করা।
স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন ও সকল সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায়
উপজেলা পর্যায়ে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং গরিব মানুষের জন্য সহজ ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা নিশ্চিত করা।
কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা
স্থানীয় শিল্প, কৃষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা দিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ।
অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন
রাস্তাঘাট, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পানি ও স্যানিটেশন উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রাম ও শহরের ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন।
নিরাপদ সমাজ ও সামাজিক ন্যায়বিচার
মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন এবং নারীর মর্যাদা ও শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
শাহজাহান চৌধুরী
চট্টগ্রাম-১৫ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ২৯২নং আসন।
এই আসন চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্ভুক্ত। এটি লোহাগাড়া উপজেলার ৯টি এবং সাতকানিয়া উপজেলার ১১টি মোট ২০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত, যার বর্তমান সীমানা ২০১৩ সালে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পুনঃনির্ধারিত হয়েছে। সাতকানিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত ইউনিয়নগুলো হলো চরতী, নলুয়া, কাঞ্চনা, আমিলাইশ, এওচিয়া, মাদার্শা, ঢেমশা, পশ্চিম ঢেমশা, ছদাহা, সাতকানিয়া এবং সোনাকানিয়া, আর লোহাগাড়া উপজেলার ইউনিয়নগুলো হলো পদুয়া, বড়হাতিয়া, আমিরাবাদ, চরম্বা, কলাউজান, লোহাগাড়া, পুটিবিলা, চুনতি এবং আধুনগর।
মোট ভোটার:
৪,৫৮,৪১১ জন
পুরুষ ভোটার:
২,৪৪,৭০৯ জন
নারী ভোটার:
২,১৩,৭০২ জন
*তথ্যসূত্রঃ চট্টগ্রাম-১৫ কেন্দ্র সংক্রান্ত গেজেট” ( ecs.gov.bd) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। ডিসেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০২৪।
চট্টগ্রাম -১৫
সাতকানিয়া-লোহাগাড়া




ইনসাফভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইনসাফভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে গণতন্ত্র, সুশাসন এবং নাগরিক অধিকার নিশ্চিত হবে। তিনি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সমাজের তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষাসহ সকল মৌলিক চাহিদা পূরণের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ জাতি গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ।
কার্যক্রম ও সংবাদ





