আমি ১৯৯১ ও ২০০১- এই দুইবার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি, আর উভয় সময়েই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
২০১২ সালে কারামুক্তির পর আমি গুলশান অফিসে বেগম জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করি, সে সময় বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত সচিব শ্যামল বিশ্বাস সাহেব উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতে দেশনেত্রী বেগম জিয়া স্পষ্ট ভাষায় সেদিন আমাকে বলেছিলেন- এই আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ও দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। দেশকে ভারতীয় আধিপত্য থেকে মুক্ত করে এদেশ ও দেশের জনগণকে বাঁচাতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই।
পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি রক্ষার লক্ষ্যে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাওয়া এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার সাথে কাজ করা আমার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা।
বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ দুনিয়ার সফর শেষ করেছেন।
মহান আল্লাহ যেন দেশের জন্য তাঁর সকল খেদমত কবুল করেন, তাঁর জীবনের সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দেন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করেন। আমিন।


